মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৫ জানুয়ারি ২০২১

সচিব

জিয়াউল হাসান এনডিসি

সচিব

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়

 

জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি গত ৯ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ সচিব হিসেবে যোগদান করেন। এ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান 'স্পারসো'র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

জনাব জিয়াউল হাসান এনডিসি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের ১৯৮৬ ব্যাচের একজন কর্মকর্তা । তিনি ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে সহকারী কমিশনার পদে  গোপালগঞ্জ কালেক্টরেটে কর্মজীবন শুরু করেন। 'স্পারসো'র চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকৃতির দায়িত্বের পদে আসীন হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পদায়নগুলো হলো-সহকারী কমিশনার (ফাইনান্স), সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সচিব। তাছাড়া তিনি যুগ্মসিচব পদমর্যাদায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর জেনারেল ম্যানেজার ও অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

জনাব হাসান কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার অন্তর্গত রামদাস ধনিরাম গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জনাব আবদুল মজিদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও মাতা জোহরা বেগম একজন গৃহিণী। তিনি ১৯৭৯-৮১ বর্ষে ঢাকা কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) হতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৮৯ সালে প্রশাসন সার্ভিসে যোগদানের পূর্বে তিনি বুয়েটের Environmental Engineering এর Master of Science (MS) এর ছাত্র ছিলেন এবং উক্ত কোর্সের ০২ (দুই) টি সেমিস্টার সম্পন্ন করেছেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পন্সরশীপে MA in Governance and Development (MAGD) কোর্স সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি ২০১৬ সালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, মিরপুর, ঢাকা হতে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) সম্পন্ন করেছেন।

 

তিনি সভা, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, কনফারেন্সে যোগদান এবং শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া,  চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, মিশর, জার্মানী, ফ্রান্স, ইটালী, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।

 

তাঁর স্ত্রী একটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বড় মেয়ে রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন। তাছাড়া তাঁর এক মেয়ে ও এক ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল পর্যায়ে পড়াশুনা করছে।



Share with :

Facebook Facebook